দেশের কারাগারগুলোয় ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত বন্দি আটক আছে। সাজাপ্রাপ্ত আসামির পাশাপাশি বেশির ভাগই আছেন বিচারাধীন মামলার আসামি হিসাবে। আবার মাঝেমধ্যে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের স্বাথের্ বিশেষ গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করা হয়। সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী গত ডিসেম্বরে এরকম অভিযানে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আটক রয়েছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। আটককৃত এসব বন্দি এবং তাদের পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন থেকে শুরু করে সবার কাছে প্রশ্ন মামলায় জামিন কখন পাওয়া যায়। লিখেছেন অ্যাডভোকেট মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী
মামলার যে কোনো পযাের্য় জামিন চাওয়া যায় অথার্ৎ রায় প্রদানের আগে মামলার বিচারপ্রক্রিয়ার যে কোনো পযাের্য় আদালত অভিযুক্তের জামিন মঞ্জুর করতে পারে। কারণ অপরাধ সাব্যস্ত বা প্রমাণিত হওয়ার আগে কাউকে অহেতুক আটকে রাখা হচ্ছে ন্যায়বিচারের পরিপন্থি। নিদোর্ষ কোনো ব্যক্তি আটক থাকলে তার সামাজিক, পারিবারিক, শারীরিক, মানসিক নানাবিধ সমস্যা যেমন হতে পারে তেমনি অভিযুক্তের মানবাধিকার লঙ্ঘন হতে পারে। আবার বিচারের সময় অভিযুক্তকে আদালতে উপস্থিত থাকতে হয়। এসব বিষয় বিবেচনায় ফৌজদারি কাযির্বধির ৪২৬, ৪৯৬, ৪৯৭, ৪৯৮, ৪৯৯, ৫০২ এবং ৫১৪ ধারায় মূলত জামিনের বিধান সম্পকের্ বলা হয়েছে।
![]() |
|
অ্যাড.মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী |


