🏛️ হাইকোর্ট আইনজীবী হওয়ার যোগ্যতা
১. অধস্তন আদালতে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তি (Bar Council Enrollment এর জন্য):
প্রথমে একজনকে অধস্তন আদালতে বা জেলা বারের আইনজীবী (Advocate) হিসেবে প্রেকটিস করার জন্য বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্তি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। এর জন্য দরকার:
* কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএল.বি ডিগ্রী।
প্রিলি (এমসিকিউ), লিখিত, ও ভাইভা এই তিনধাপে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর দেশের কোন জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হয়ে "Lower Court" বা "District Court"-এ কমপক্ষে ২ বছর প্র্যাকটিস করতে হয়।
২. হাইকোর্টে প্র্যাকটিসের জন্য অতিরিক্ত যোগ্যতা:
জেলা আদালতে কমপক্ষে ২ বছর নিয়মিত আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করার পর, প্রমাণসাপেক্ষে বার কাউন্সিলের নিকট হাইকোর্ট পারমিশন (Permission to practice in the High Court Division) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।
এইখানে লিখিত, ভাইভা পরীক্ষা উত্তীর্ণ হতে
তারপর সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আবেদন করতে হবে। এরপর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ছর হাইকোর্টে প্র্যাকটিসের অনুমতি হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে।
✅ সংক্ষেপে ধাপসমূহ:
১. এলএল.বি ডিগ্রি অর্জন
২. বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট পরীক্ষা উত্তীর্ণ।
৩. জেলা আদালতে কমপক্ষে ২ বছর আইন চর্চা।
৪. হাইকোর্টে প্র্যাকটিসের জন্য বার কাউন্সিলের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।
৫. সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবীদের সমিতির নিকট আবেদন এবং সদস্য হিসেবে নাম অন্তর্ভুক্তি।

