The more you Read ,The more you Learn

শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০২২

পাকিস্তানের যে বিখ্যাত বিচারপতি চট্টগ্রাম বার এর অনুষ্ঠানে এসে নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছিলেন

তিনি পাকিস্তানের ইতিহাসে এখনো আলোচিত একজন ব্যাক্তিত্ব। যার অসাধারণ সব উর্দু ও ইংরেজী বক্তব্যের মাঝে দূর্লভ মেধা, রসবোধ, সাহস ,সততা এবং দেশপ্রেমের সমাবেশ ঘটেছিল। চমৎকার, মজাদার মন্তব্যের জন্য প্রচুর জনপ্রিয় এবং প্রায়শই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বক্তৃতার জন্য আমন্ত্রিত হয়েছিলেন। অর্থবহ তীর্যক মন্তব্য করা তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ছিল - যা থেকে খোদ পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতিও রেহাই পেতেন না। বিভিন্ন ফোরামে তাঁর লেখা ও বক্তৃতাগুলি বুদ্ধি, সাহস এবং যুক্তির সাথে অসাধারণ বিশ্লেষণের কারণেই পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তানের সর্বাধিক জনপ্রিয় বক্তা হিসেবে তিনি দেশজুড়ে ব্যাপক সুপরিচিত হয়েছিলেন। বিশেষ করে পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জেনারেল আইয়ুব খানের একনায়কতন্ত্রের বিরোধিতা করার জন্য তিনি খ্যাতিমান ।
  দেশের বিচার ব্যবস্থা সম্পর্কে বিভিন্নজনের লেখা প্রবন্ধ নিবন্ধ ও আলোচনায় ওনার সম্পর্কে প্রায় কথা আসে । আমিও আগ্রহী হয়ে উঠি এই বিখ্যাত বিচারপতি সম্পর্কে জানতে আবার তিনি আমাদের চট্টগ্রাম বার এর বার্ষিক ভোজ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ একটি বক্তৃতা দিতে এসেছিলেন এবং চট্টগ্রামে মৃত্যুবরণ করেন। এটাও আমার আগ্রহ ছিলো, তারপর ওনার সম্পর্কে জানতে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করি। তা প্রাসঙ্গিক মনে করে সচেতন পাঠকের জন্য এই লেখার অবতারণা।

সেই বিখ্যাত সাহসী ব্যাক্তি হচ্ছেন , বিচারপতি মালিক মুহাম্মদ রুস্তম কায়ানি। যিনি জাস্টিস এম আর কায়ানী নামে সর্বাধিক পরিচিত। তার জন্ম ১৮ অক্টোবর, ১৯০২ সালে পাকিস্তানের কোহাত জেলার শাহপুরে । ইসলামিয়া হাই স্কুল কোহাত থেকে ম্যাট্রিক এবং এডওয়ার্ডস কলেজ পেশোয়ার থেকে এফ.এ পাশ করে লাহোরের সরকারী কলেজ থেকে ফার্সিতে অনার্স এবং ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করে ১৯২৭ সালে ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসে যোগদান করেন। প্রায় ৮ বছর দায়িত্ব পালন করার পর এম আর কায়ানিকে ১৯৩৮ সালে নির্বাহী থেকে বিচার বিভাগে স্থানান্তরিত করা হয় এবং জেলা ও দায়রা জজ হিসাবে কাজ করেন। ১৯৪৭ সালে তিনি পাঞ্জাব সরকারের আইন সচিব হিসেবে নিযুক্ত হন। ১৯৪৯ সালে লাহোর হাইকোর্টের বিচারক, ১৯৫৮ সালের এপ্রিলে পশ্চিম পাকিস্তান হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসাবে নিয়োগ পান। জাস্টিস এম আর কায়ানী ১৯৬২ সালের অক্টোবরে অবসর গ্রহণ করেন। তিনি বিখ্যাত পাঞ্জাব ডিসট্রাবনেস কোর্ট অফ ইনকয়েরিয়ার সদস্যও ছিলেন। তাঁর পুত্র হারুনের মতে, জাস্টিস কায়ানী কখনও তাঁর পরিবারকে তাঁর বিচারপতির অফিস ব্যবহার করতে এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধা নিতে দেয়নি। কায়ানি মনে করেন "এই অফিসের ব্যক্তিরা আমার ব্যক্তিগত কর্মী নন। তারা প্রধান বিচারপতির পক্ষে কাজ করেন।" কায়ানির ছেলে সাইকেলে স্কুলে গিয়েছিল। সরকারি পরিবহন ব্যবহার করতে পারেনি। যা একজন নীতিবান আদর্শিক সৎ বিচারপতি হিসেবে উপযুক্ত দৃষ্টান্ত বটে।
জাস্টিস এম আর কায়ানী



জাস্টিস এম আর কায়ানি আইনের শাসনের গুরুত্ব, মৌলিক অধিকার এবং প্রতিটি মানুষের মর্যাদা বোঝার জন্য রূপকথা, গল্প এবং অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উদাহরণ ব্যবহার করেছিলেন তাঁর লেখনী ও বক্তব্যে। যদিও তিনি ব্যঙ্গাত্মক সুরের সাথে রাজনৈতিক বিষয়গুলিকে হালকাভাবে স্পর্শ করা থেকে বিরত ছিলেন না।

১৯৫৮ সালের অক্টোবরে ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খানের সামরিক শাসন জারি হয়। এর পরের বছর ফেব্রুয়ারিতে আইয়ুব খান লাহোর সিভিল সার্ভিস একডেমিতে ভোজ সভায় যোগ দিতে গিয়েছিলেন। তখন জাস্টিস এম আর কায়ানি ছিলেন লাহোর হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং ভোজ সভার আয়োজক প্রতিষ্ঠান সিভিল সার্ভিস এসোসিয়েশন এর সভাপতি। উক্ত প্রোগ্রামে জাস্টিস এম আর কায়ানির লিখিত বক্তব্যের কথাগুলো ছিল, "ফিল্ড মার্শাল আপনি যখন সামরিক শাসন জারি করলেন তখন দেশে প্রথমে ছিল নিস্তব্ধতা, তারপর শুনতে পেলাম ফিসফাস, আর স্যার বহুমানুষ যখন ফিসফাস করে তখন সেটা কিন্তু ফিসফাসের ক্যাম্পেইনে পরিণত হয়।" এরপরে আরো মারাত্মক ভাষায় বলেছিলেন ," সামরিক শাসন জারি করে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী তার নিজের দেশকে জয় করেছে! দেশ প্রেমিক সেনাবাহিনী ভারতের সঙ্গে যুদ্ধে না পারুক কিন্তু দেশবাসীর সঙ্গে পেরেছে।" আইয়ুব খান এর উপস্থিতিতে এম আর কায়ানির এইরকম সাহসী বক্তব্য তখনকার সময়ে ছোট্টখানি একটা কথা নয় । "পাকিস্তানে সামরিক বাহিনী তার নিজের দেশকে জয় করেছে" একথা দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে পড়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে। পরবর্তীতে সেটা পাকিস্তানের জনগণের মুখে মুখে আলাপকালে উঠে এসেছে।
লাহোরের নাগরিকগণ তার সম্মানে বিদায় সম্বর্ধনার আয়োজন করেন, যেখানে তাকে “পাকিস্থানের কন্ঠস্বর” উপাধিতে ভূষিত করেন। উত্তরে বিচারপতি কায়ানী বলেন, এ উপাধি তার কাছে “নিশানে পাকিস্তান” র চাইতে প্রিয়। এরপর তিনি বলেন যে, গুমোট অন্ধকার এই যুগে বক্তৃতার মাধ্যমে তিনি মানুষের নৈতিকতার মান উন্নত করতে সচেস্ট আছেন।

জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য বিচারপতি এম আর কায়ানি উচ্চ আদালতের রিট এখতিয়ারের একনিষ্ঠ সমর্থক ছিলেন। বিচারপতি কায়ানি তার এক বক্তৃতায় উল্লেখ করেছিলেন: "what we want is that everybody should have a feeling of security, a feeling that nothing will be done to him in bad faith or that capriciously or arbitrarily." তিনি জোর দিয়েছিলেন যে রিটগুলি সম্ভবত অধিকার নিশ্চিত করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়, "…writ jurisdiction brings to a benighted morality the light that never was on sea or land. God is in His Heaven and all’s right with the world -- God was in His Heaven even before writ jurisdiction, but all wasn’t right with the world." জাস্টিস কায়ানি মনে করতেন, প্রায়শই রিটগুলি সরকার এবং বিচার বিভাগকে দ্বন্দ্বের মধ্যে নিয়ে আসে, সেজন্য তিনি এটিকে বৈপরীত্য ম্যাচ হিসাবে দেখা উচিত নয় বরং নাগরিকদের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য একটি যৌথ প্রচেষ্টা হিসাবে দেখা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।

বিচারপতি এম আর কায়ানি প্রায়শই জুডিশিয়াল সিস্টেমের দুর্নীতি, আইনজীবীদের আচরণ, এবং বার এবং বেঞ্চের সাথে সংযোগ সম্পর্কিত বিষয়গুলিতে গঠনমুলক বক্তব্য রাখতেন। উদাহরণস্বরূপ, তিনি বিচারককে তার নির্ধারিত দিনে মামলা শুনানি না করার বিরুদ্ধে বলেছিলেন, "For it is better that a case should lie in cold storage than the parties and their witnesses should be told at the end of a hot day that their case could not be taken up for want of time and that they should go back fifty or a hundred miles." বিচারপতি কিয়ানি আইনজীবীদের গুণগত মান হ্রাস নিয়েও দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং প্রবীণ আইনজীবীদের জন্য পরামর্শ দিয়েছেন "associate with them junior lawyers of promise, who work hard, put them on the track of a case, but attend to it finally themselves." তিনি প্রায়শই আইনজীবীদের মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে তারা " officers of the court’ সুতরাং তাদের কাজ শেষ হয় না ‘with securing an acquittal or having a case dismissed."

তদানীন্তন পাকিস্তান এবং বর্তমান বাংলাদেশের বিচারপতিদের সাথে ক্ষমতাসীন দল বা শাসকদের যোগসূত্র নিয়ে বিতর্ক আছে; রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হওয়ার জন্য ক্ষমতায় আসার জন্য স্বতঃস্ফূর্তভাবে শাসকগোষ্ঠীর সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখেন বিচারপতিরা। তবে ব্যতিক্রমী বিচারপতিরাও ইতিহাস ঠাঁই করে নিয়েছেন। তাঁরা সঠিক ভূমিকা পালন করতে এবং রায় দিতে বিন্দুমাত্র কুণ্ঠিত হননি! এরকম সাহসী বিচারপতি হিসেবে যাদের নাম এখনও মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে ; জাস্টিস কায়ানি, জাস্টিস ইব্রাহিম, জাস্টিস মুর্শেদ , জাস্টিস কে এম সোবহান এবং জাস্টিস বি. এ. সিদ্দিকীর ন্যায় গর্ব করার মতো ব্যক্তিত্বের মতো আরও অনেকের নাম উল্লেখ করা যায় । তন্মধ্যে জাস্টিস এম আর কায়ানি সর্বাধিক সুপরিচিত। তার বুদ্ধিদীপ্ত কথায় সামাজিক মর্যাদা যেভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল তেমনটি অন্য কোন বিচারপতির ক্ষেত্রে ঘটেনি। 
  বিচারপতি এমআর কায়ানী ১৯৭২ সালের নভেম্বর মাসে পূর্ব পাকিস্তান সফর শুরু করেন যেখানে ঢাকা, রাজশাহী এবং চট্টগ্রামের বার অ্যাসোসিয়েশন তাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। সেই সফরে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক ভোজ সভার আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তৃতা দিতে এসেছিলেন। কিন্ত চট্টগ্রামে এসেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। ঢাকা থেকে ডাঃ নুরুল ইসলাম চট্টগ্রামে এসেছিলেন তার চিকিৎসার জন্য। ১৯৭২ সালের ১৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাড়ে ৪ টায় প্রায় ৬০ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পরদিন পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ার লাইন্স এর একটি বোয়িং বিমানে করে জাস্টিস এমআর কায়ানীর মরদেহ চট্টগ্রামে থেকে প্রথমে পশ্চিম পাকিস্তানের করাচিতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরেরদিন সকালে পিএএফ বিমানের মাধ্যমে নিজ শহর কোহাতে পাঠানো হয়। কোহাত থেকে তিন মাইল দূরে তাঁর নিজ গ্রাম শাহপুরে পৈত্রিক কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

পাকিস্তানের ডন পত্রিকার তৎকালীন প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায় চট্টগ্রামে মৃত্যুর সময় যেসব জিনিসপত্র জাস্টিস এম আর কায়ানির সাথে ছিল ; একটি ছোট্ট সুটকেস, যার ভিতর ২৯টি পাকিস্তানি টাকা, ২টি বিমানের টিকিট, ১টি শেফার্ড কলম, একটি টর্চ লাইট কয়েকটি পোশাক এবং কিছু অসম্পূর্ণ বক্তব্য সম্বলিত কিছু কাগজ যা চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক ভোজ অনুষ্ঠানে দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তাঁর অর্ধ-লিখিত বক্তৃতাটি তার বিছানার পাশে টেবিলে পড়েছিল। শোনা গিয়েছিল জাস্টিস এম আর কায়ানি চট্টগ্রামে ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ একটি বক্তব্য দিবেন। দূর্ভাগ্য সেটা তিনি আর দিতে পারেননি।

একথা সর্বজন স্বীকৃত যে,পাকিস্তানের সামরিক শাসক জেনারেল আইয়ুব খানের সবচেয়ে বড় সমালোচক ছিলেন জাস্টিস এম আর কায়ানি। তিনি পাকিস্তানের নানা শহরে যেতেন এবং স্বৈরাচারবিরোধী বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলতেন। ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খানের শাসনব্যবস্থা, মৌলিক গণতন্ত্রের পদ্ধতি নিয়ে তার বিদ্রূপ ও কশাঘাত আইয়ুব শাসনের ভিত্তি কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সামরিক শাসনের বিরোধিতা করেছেন। অথচ এই জাস্টিস কায়ানি যখন মারা যান, তখন আইয়ুব ছুটে গিয়েছিলেন তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে। এমনকি কায়ানির শবাধার বহনে তিনি অংশ নিয়েছিলেন।
জাস্টিস এম আর কায়ানির আলোচিত লেখা ও বক্তব্য বইগুলোর সংকলন ; Afkar-e-Pareshan, A Judge May Laugh, Not The Whole Truth ,The Whole Truth, Some More Truth, Half Truths প্রভৃতি শিরোনামে বই আকারে প্রকাশিত হয়েছে।

লেখক: মোঃ রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী
অ্যাডভোকেট
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও
জজ কোর্ট, চট্টগ্রাম।

তথ্য সূত্র:

http://www.sajjanlahore.org/corners/zim/lastman/part2/thingspressed.htm
https://www.dawn.com/news/764361/m-r-kayani-dies-before-his-memorable-speech
https://www.goodreads.com/author/list/1275443.Justice_M_R_Kayani
https://www.dawn.com/news/1296162
https://dailytimes.com.pk/154613/story-principled-judge-justice-m-r-kayani-remembered-55-years-sudden-death/
https://www.prideofpakistan.com/who-is-who-detail/Justice-M-Rustam-Kayani/13
      https://en.wikipedia.org/wiki/Muhammad_Rustam_Kayani

      https://www.thenews.com.pk/tns/detail/565460-remembering-justice-kayani

     https://www.thedailystar.net/news-detail-10300

লেবেল

ফৌজদারী দেওয়ানী টিপস দন্ডবিধি জুডিশিয়ারী অ্যাডভোকেটশীপ সাহিত্য - সংস্কৃতি আইনজীবী ইতিহাস ফৌজদারি কার্যবিধি রাজনীতি সম্পত্তি হস্তান্তর আইন অধিকার সংবিধান সফল জীবনী সুনিদিষ্ট প্রতিকার আইন Islam দেওয়ানী কার্যবিধি ধর্ম Civil Tips religion বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চুক্তি আইন নারী ও শিশু নির্যাতন সাইবার ক্রাইম CONTRACT LAW আইন পেশায় টিকে থাকার লড়াই কোম্পানী আইন জিয়াউর রহমান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন দলিল পারিবারিক ফৌজদারি বিএনপি মানবাধিকার যুগান্তকারী রায় যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮ সাক্ষ্য আইন হাইকোর্টে মামলা Advocate Dress Income tax Lawyer Dress Stop vat on Education অ্যাডমিরাল মাহবুব আবহাওয়া আল্লামা ইকবাল ইয়াকুব মেমন এনআই অ্যাক্ট খাজা সলিমুল্লাহ গ্রেপ্তার চুরি চেক ডিজঅনার জাতীয় পতাকা বিধিমালা জাতীয় মানবাধিকার কমিশন জামিন জেনারেল জিয়াউর রহমান নবাব পশু জবাই আইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ফরেনার্স অ্যাক্ট বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাংলাদেশ বার কাউন্সিল বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতিগণ বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বিচারপতি সৈয়দ রিফাত আহমেদ বিশেষ ক্ষমতা আইন ব্যারিস্টার ইশতিয়াক আহমেদ ব্যারিস্টার রফিক-উল হক মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন মোবাইল কোর্ট রায়তী স্বত্বীয় খাস দখলী" বাক্যটির অর্থ কি রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শহীদ প্রেসিডেন্ট হাইকোর্ট হিন্দু উত্তরাধিকার আইন