নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিপদগ্রস্থ মানুষের পাশে দাঁড়াবার ব্যাপারে অনুরোধ করছি।
ঘুর্ণিঝড়ে আপনার এলাকাটি আক্রান্ত হবার পূর্বাভাস পেলে কিভাবে কি করবেন সেই ব্যাপারে কিছুটা ধারনা দেয়ার চেষ্টা করছি।
১। প্রথমেই এলাকার তরুন ও আগ্রহীদের নিয়ে একটি স্বেচ্ছাসেবী উদ্ধারকারী দল প্রস্তুত করুন যারা দুর্যোগের পূর্বে, দুর্যোগকালীন, দূর্যোগ ত্রানকার্য পর্যবেক্ষন ও বিতরনে সাহায্য করতে পারবে। খোঁজ নিন, আপনার আশেপাশে কোন ব্লগার আছেন কিনা। যদি থাকে তাহলে পরষ্পরের সাথে একটি সমন্বয় করে নিন।
২। নিরাপদ আশ্রয় চিহ্নিত করে মানুষজনকে সেখানে সরে যাওয়ার ব্যাপারে সাহায্য করুন। নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের বেশি অগ্রাধিকার দিন।
৩। গবাদি পশুদেরকে যদি নিরাপদ আশ্রয়ে নেয়ার মত সময় না থাকে, তাহলে অন্তত তাদের দড়ি খুলে মুক্ত করে দিন।
৪। জলোচ্ছ্বাস প্রবণ অঞ্চলে যদি সময় থাকে তাহলে টিউবওয়েলটি খুলে পাইপটি প্লাস্টিক দিয়ে ভালো করে আটকে দিন, যেন লোনা বা ময়লা পানি ভেতরে প্রবেশ না করতে পারে।
৫। শুকনো খাবার, দিয়াশলাই ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পলিথিন দিয়ে সংরক্ষন করার ব্যবস্থা করুন।
৬। সবাইকে যার যার মূল্যবানজিনিসপত্র ভালো করে পলেথিন দিয়ে প্যাকেট করে সংরক্ষন করতে
সাহায্য করুন।
৭। অন্যের মূল্যবান জিনিসপত্র যেন বেহাত না হয়ে যায়, সেই ব্যাপারে সতর্ক দৃষ্টি রাখুন।
৮। কিছু প্রাথমিক চিকিৎসার জিনিসপত্র ও খাবার সামগ্রি যোগাড় করে তা আপনাদের অস্থায়ী মনিটর ক্যাম্পে রাখতে পারেন।
৯। সবাইকে ছোট ছোট দলে ভাগ করে কাজ বুঝিয়ে দিন এবং তা পর্যবেক্ষন
করুন।
১০। যে কোন প্রয়োজনে যদি ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগ থাকে তা আমাদের সবার সাথে শেয়ার করুন বা পরবর্তীতে অবশ্যই সবাইকে জানান।
১। প্রথমেই এলাকার তরুন ও আগ্রহীদের নিয়ে একটি স্বেচ্ছাসেবী উদ্ধারকারী দল প্রস্তুত করুন যারা দুর্যোগের পূর্বে, দুর্যোগকালীন, দূর্যোগ ত্রানকার্য পর্যবেক্ষন ও বিতরনে সাহায্য করতে পারবে। খোঁজ নিন, আপনার আশেপাশে কোন ব্লগার আছেন কিনা। যদি থাকে তাহলে পরষ্পরের সাথে একটি সমন্বয় করে নিন।
২। নিরাপদ আশ্রয় চিহ্নিত করে মানুষজনকে সেখানে সরে যাওয়ার ব্যাপারে সাহায্য করুন। নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের বেশি অগ্রাধিকার দিন।
৩। গবাদি পশুদেরকে যদি নিরাপদ আশ্রয়ে নেয়ার মত সময় না থাকে, তাহলে অন্তত তাদের দড়ি খুলে মুক্ত করে দিন।
৪। জলোচ্ছ্বাস প্রবণ অঞ্চলে যদি সময় থাকে তাহলে টিউবওয়েলটি খুলে পাইপটি প্লাস্টিক দিয়ে ভালো করে আটকে দিন, যেন লোনা বা ময়লা পানি ভেতরে প্রবেশ না করতে পারে।
৫। শুকনো খাবার, দিয়াশলাই ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পলিথিন দিয়ে সংরক্ষন করার ব্যবস্থা করুন।
৬। সবাইকে যার যার মূল্যবানজিনিসপত্র ভালো করে পলেথিন দিয়ে প্যাকেট করে সংরক্ষন করতে
সাহায্য করুন।
৭। অন্যের মূল্যবান জিনিসপত্র যেন বেহাত না হয়ে যায়, সেই ব্যাপারে সতর্ক দৃষ্টি রাখুন।
৮। কিছু প্রাথমিক চিকিৎসার জিনিসপত্র ও খাবার সামগ্রি যোগাড় করে তা আপনাদের অস্থায়ী মনিটর ক্যাম্পে রাখতে পারেন।
৯। সবাইকে ছোট ছোট দলে ভাগ করে কাজ বুঝিয়ে দিন এবং তা পর্যবেক্ষন
করুন।
১০। যে কোন প্রয়োজনে যদি ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগ থাকে তা আমাদের সবার সাথে শেয়ার করুন বা পরবর্তীতে অবশ্যই সবাইকে জানান।
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের পরবর্তী সময়ে আপনার করনীয়ঃ
১। রাস্তা-ঘাটের উপর উপড়ে পড়া গাছপালা সরিয়ে ফেলুন যাতে সহজে সাহায্যকারী দল আসতে পারে এবং দ্রুত যোগাযোগ সম্ভব হয়।
২। আশ্রয়কেন্দ্র হতে মানুষকে বাড়ি ফিরতে সাহায্য করুন এবং নিজের ভিটায় বা গ্রামে অন্যদের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিন।
৩। অতি দ্রুত উদ্ধার দল নিয়ে খাল, নদী, পুকুর ও সমুদ্রে ভাসা বা বনাঞ্চলে বা কাদার মধ্যে আটকে পড়া লোকদের উদ্ধার করুন।
৪। ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত জনসাধারণ যাতে শুধু এনজিও বা সরকারি সাহায্যের অপেক্ষায় বসে না থেকে নিজে যেন অন্যকে সাহায্য করে সে বিষয়ে সচেষ্ট হতে হবে।
৫। দ্বীপের বা চরের নিকটবর্তী কাদার মধ্যে আটকে পড়া লোকদের উদ্ধারের জন্য দলবদ্ধ হয়ে দড়ি ও নৌকার সাহায্যে লোক উদ্ধারকর্ম আরম্ভ করুন। কাদায় আটকে পড়া লোকের কাছেদড়ি বা বাঁশ পৌঁছে দিয়ে তাকে উদ্ধার কাজে সাহায্য করা যায়।
৬। পুকুরের বা নদীর পানি ফুটিয়ে পানকরুন। বৃষ্টির পানি ধরে রাখুন।
৭। নারী, বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী ও অসুস্থ লোকদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় ত্রাণ বন্টন (আলাদা লাইনে) করুন।
১। রাস্তা-ঘাটের উপর উপড়ে পড়া গাছপালা সরিয়ে ফেলুন যাতে সহজে সাহায্যকারী দল আসতে পারে এবং দ্রুত যোগাযোগ সম্ভব হয়।
২। আশ্রয়কেন্দ্র হতে মানুষকে বাড়ি ফিরতে সাহায্য করুন এবং নিজের ভিটায় বা গ্রামে অন্যদের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিন।
৩। অতি দ্রুত উদ্ধার দল নিয়ে খাল, নদী, পুকুর ও সমুদ্রে ভাসা বা বনাঞ্চলে বা কাদার মধ্যে আটকে পড়া লোকদের উদ্ধার করুন।
৪। ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত জনসাধারণ যাতে শুধু এনজিও বা সরকারি সাহায্যের অপেক্ষায় বসে না থেকে নিজে যেন অন্যকে সাহায্য করে সে বিষয়ে সচেষ্ট হতে হবে।
৫। দ্বীপের বা চরের নিকটবর্তী কাদার মধ্যে আটকে পড়া লোকদের উদ্ধারের জন্য দলবদ্ধ হয়ে দড়ি ও নৌকার সাহায্যে লোক উদ্ধারকর্ম আরম্ভ করুন। কাদায় আটকে পড়া লোকের কাছেদড়ি বা বাঁশ পৌঁছে দিয়ে তাকে উদ্ধার কাজে সাহায্য করা যায়।
৬। পুকুরের বা নদীর পানি ফুটিয়ে পানকরুন। বৃষ্টির পানি ধরে রাখুন।
৭। নারী, বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী ও অসুস্থ লোকদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় ত্রাণ বন্টন (আলাদা লাইনে) করুন।
Courtesy by :- Somewhereinbloge.net

