ঘুম থেকে উঠে আজকের 'দ্যা ডেইলি স্টার' পত্রিকাটি নিয়ে টেবিলে বসলাম। চোখটিপাটিপি করতে করতে প্রথম পাতার লীড নিউজে খেয়াল করলাম দীর্ঘ ৬৮ বছরের সমস্যার সমাধান টা আজ স্বপ্ন থেকে বাস্তব হচ্ছে রাত বারটায় !!! ( Separated again 68 years after, Enclave dwellers freedom a few hours away - #The_Daily_Star)
আমি মনে করি কূটনীতির হিসাব যা-ই বলুক ছিটমহলগুলো বিনিময় না হলে ছিটমহলগুলোর মানুষকে আজীবন মানবিক ও নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে
থাকতে হবে। গত আটষট্টি বছর ধরে তারা ইউটিলিটি, শিক্ষা, চিকিৎসা, বিনোদন থেকে দূরে অমানবিক জীবন- যাপন করছেন। দীর্ঘ ৬৮ বছর ধরে সেসব মানুষগুলোর দুর্দশা ক্ষুদ্র স্বার্থচিন্তায় অন্ধ রাজনীতিক-আমলাদের যাতাকলে পিষ্ট হয়েছে। আজ শুক্রবার শেষে রাত বারটা এক মিনিটে মুক্তি পাচ্ছে ৫২ হাজার অধিবাসী। যার ফলে বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বাস্তবতা থেকে ঠাই হবে ইতিহাসের পাতায়।
থাকতে হবে। গত আটষট্টি বছর ধরে তারা ইউটিলিটি, শিক্ষা, চিকিৎসা, বিনোদন থেকে দূরে অমানবিক জীবন- যাপন করছেন। দীর্ঘ ৬৮ বছর ধরে সেসব মানুষগুলোর দুর্দশা ক্ষুদ্র স্বার্থচিন্তায় অন্ধ রাজনীতিক-আমলাদের যাতাকলে পিষ্ট হয়েছে। আজ শুক্রবার শেষে রাত বারটা এক মিনিটে মুক্তি পাচ্ছে ৫২ হাজার অধিবাসী। যার ফলে বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বাস্তবতা থেকে ঠাই হবে ইতিহাসের পাতায়।
সর্বশেষ নরেন্দ্র মোদী সফরের সময়ে আব্বুর সাথে #ছিটমহল বিষয়ে আলাপচারিতায় বলেছিলেন,
আশির দশকে নাকি,একবার পতিত সামরিক স্বৈরাচার এরশাদ যখন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি তখন সে একবার দহগ্রাম-আঙরপোতায় গিয়েছিল। জনসভায় দহগ্রামের চেয়ারম্যান সাহেব নিজেদের দুর্দশার কথা বলতে বলতে এরশাদের পা জড়িয়ে ধরে কেঁদে ওঠেন। তিনি তাঁর জনগণকে এই সীমাহীন দুর্ভোগ থেকে বাঁচানোর জন্য এরশাদের করুণা চান। কিন্তু চেয়ারম্যান সাহেব যা জানতেন না
সেটা হচ্ছে, তাঁদেরকে বাঁচানোর কোন উপায় এরশাদের কাছে ছিলনা।
তাঁদেরকে বাঁচানোর কিছুটা উপায় হয়তো ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর কাছে ছিল। তবে সবচে’ বড় উপায় ছিল ভারতের লোকসভা-বিধানসভার সদস্যদের কাছে, ভারতের সুপ্রিমকোর্টের কাছে।
যাহোক,অবশেষে ৬৮ ববছরে পর ছিটমহল বাসী পাবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রাস্তা, পানীয়, বিদ্যুৎ, সেতু, হাটবাজার, পুলিশ প্রশাসন, বিচার ব্যবস্থা, ভোটাধিকার, কর্মসংস্থান। মুক্তি ঘুচছে ছয় দশক ধরে তীব্র বঞ্চনা, সরকারী প্রতিশ্রুতি, চোরাকারবারি, মাদকপাচার, সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর অত্যাচার আর অশিক্ষার।
আশির দশকে নাকি,একবার পতিত সামরিক স্বৈরাচার এরশাদ যখন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি তখন সে একবার দহগ্রাম-আঙরপোতায় গিয়েছিল। জনসভায় দহগ্রামের চেয়ারম্যান সাহেব নিজেদের দুর্দশার কথা বলতে বলতে এরশাদের পা জড়িয়ে ধরে কেঁদে ওঠেন। তিনি তাঁর জনগণকে এই সীমাহীন দুর্ভোগ থেকে বাঁচানোর জন্য এরশাদের করুণা চান। কিন্তু চেয়ারম্যান সাহেব যা জানতেন না
সেটা হচ্ছে, তাঁদেরকে বাঁচানোর কোন উপায় এরশাদের কাছে ছিলনা।
তাঁদেরকে বাঁচানোর কিছুটা উপায় হয়তো ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর কাছে ছিল। তবে সবচে’ বড় উপায় ছিল ভারতের লোকসভা-বিধানসভার সদস্যদের কাছে, ভারতের সুপ্রিমকোর্টের কাছে।
যাহোক,অবশেষে ৬৮ ববছরে পর ছিটমহল বাসী পাবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রাস্তা, পানীয়, বিদ্যুৎ, সেতু, হাটবাজার, পুলিশ প্রশাসন, বিচার ব্যবস্থা, ভোটাধিকার, কর্মসংস্থান। মুক্তি ঘুচছে ছয় দশক ধরে তীব্র বঞ্চনা, সরকারী প্রতিশ্রুতি, চোরাকারবারি, মাদকপাচার, সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর অত্যাচার আর অশিক্ষার।
এই দুঃখী মানুষগুলোকে দেশের আর দশটা মানুষের মতো মানবিক ও নাগরিক
সুবিধার আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট
সবাইকে আমার তরফ হতে অশেষ ধন্যবাদ।
সুবিধার আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট
সবাইকে আমার তরফ হতে অশেষ ধন্যবাদ।
-এম.আর.ওয়াজেদ চৌধুরী (রায়হান)

