উওরঃ এই প্রশ্নের উওর কিছু ধাপে ধাপে দিলে বুঝতে সুবিধে হবেঃ
প্রথম ধাপঃ যেকোন মামলা যখন কোন উকিল সাহেব গ্রহন করে তখন তাকে মামলার ড্রাফট তৈরী করতে হয়। এই কাজটা একান্তই উকিল সাহেবর ইচ্ছার উপর নির্ভর করে উনি কত দিনে মামলার ড্রাফট তৈরী করবেন।
দ্বিতীয় ধাপঃ মামলার ড্রাফট তৈরী হলে তা এফিডাভিট কমিশনার দিয়ে এভিডাভিট করতে, তখন মামলার একটি Tender Number পরে। এই কাজটি ১ দিনে করা যায় তবে কোন সমস্যা দেখা দিলে ২ দিনও লেগে যেতে পারে।
তৃতীয় ধাপঃ হাইকোর্টে মামলা প্রতি রবিবার জমা নেয়া হয়। তাই মামলা এভিডাভিটের পর তা পরবর্তি রবিবারে নির্দিষ্ট কোর্টে জমা দিতে হয়।
প্রশ্ন ২ঃ কিভাবে বুঝবো হাইকোর্টে মামলা ফাইল করা হয়েছে কি না?
উওরঃ খুবই সহজ। আপনার উকিল সাহেবের কাছ থেকে মামলার Tender number and Court number টি চেয়ে নিবেন। তারপর Supreme Court of Bangladesh এই website -এ High Court -- cause list-- এই অপশন থেকে আপনি দেখতে পারবেন, আপনার মামলাটি কোর্টের কত নম্বর item ( অর্থাৎ কত নম্বর সিরিয়াল)। প্রতদিন রাত ৮.০০-৯.০০ সময় আপনি অন লাইন থেকেই জেনে যাবেন, পরদিন আপনার মামলার item number কত।
প্রশ্ন ৩ঃ হাইকোর্টে মামলা ফাইল করার পর শুনানি হতে কত সময় লাগে??
উওরঃ শুনানি হতে কত সময় লাগে তা নির্ভর করে মামলাটি কোন কোর্টে আছে তার উপর। কেননা সকল জাজ সাহেবর কাজ করার ধরন এক নয়। কোন কোন জজ সাহেব দিনে ২০০ মামলা শুনানি করে আবার কেউ ৪৫-৫০ টা মামলা।
তাই শ্রেয় হলো উকিল সাহেব কে ask করা ঔ নির্ধারিত কোর্টের কাজের গতি কেমন।
আর আপনি নিজে যখন অন লাইনে আপডেট চেক করবেন তখন আপনি নিজেই বুঝে যাবেন কোর্টের কাজের গতি কেমন।
বিঃদ্রঃ হাইকোর্টের প্রতিটি বেঞ্জ ভিন্ন ভিন্ন দিনে ভিন্ন ভিন্ন বিষয় শুনানির জন্য নির্ধারন করে রাখে।
সাধারনত আপনার মামলার item number আগিয়ে এনে শুনানির কোন সুযোগ নেই। কোর্টের গতি অনুসারে item number আগাবে তাতে উকিল সাহেব কে দোষ দেয়ার কিছু নেই।
(অসাধারন বা ব্যতিক্রম নিয়ম বা অনিয়ম নিয়ে এখানে কথা বলছি না)

