বাংলাদেশে আপনি সরকারী বেসরকারি যে কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে LLB/LLM শেষ করে যুক্তরাজ্যে বা অন্যান্য দেশে মাস্টার্স বা ব্যারিস্টারি পড়তে চাইলে বা উচ্চতর পড়াশোনা করতে চাইলে আপনার জ্ঞাতার্থে কিছু পরামর্শ ও আলোচনা।
প্রথমে আপনার টার্গেট ঠিক করুন। এলএলবি শেষ করার আগেই বা শেষ করা মাত্রই চিন্তা করুন- আপনি ভবিষ্যতে বা পেশাগত জীবনে কি হতে চান। সব পেশায় যাওয়ার জন্য বা কাজের জন্য এদেশে এলএলএম আবশ্যক নয়।
দেশে----আপনার জন্য সম্ভাবনাসমূহ:
১)আইনজীবী হবেন এবং প্র্যাকটিস করবেন?
---হাইকোর্টে?
--জেলা আদালতে?
২) চাকুরী করবেন?
--বিচারক/জুডিসিয়াল অফিসার?
--বিসিএস ক্যাডার?
--সরকারী যে কোন চাকুরী?
--ব্যাংকে ল অফিসার?
--বেসরকারি কোম্পানিতে ল অফিসার/ম্যানেজার?
-- বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা?
বিদেশে---আপনার জন্য সম্ভাবনাসমূহ:
৩) ব্যারিস্টারি পড়বেন?
--লন্ডনে নাকি অন্য দেশে?
৪) বিদেশে আইনজীবী হবেন?
--UK? USA? Canada?
৫) বিদেশে পড়াশোনা করবেন?
-- কোন দেশে?
-- LLM?
-- PHD/LLD?
--স্কলারশিপ সহ নাকি ছাড়া?
৬) বিদেশে থিতু হবেন? মাইগ্রেশন করবেন? কিভাবে?
তারপর টার্গেট অনুযায়ী আগান। মনে রাখবেন, সবাই একভাবে সফল হবে না। একেকজন একেকভাবে সফল হবে। আপনার ক্লাসে বা বাল্যকালের সব বন্ধুরা এক জায়গায় বা এক লেভেলে পৌছাবে না। সবার চাওয়া-পাওয়া যোগ্যতা এক হবে না। সব মানুষের জ্ঞান ও যোগ্যতা সমান নয়। এটা মেনে নিতে হবে। আবার যাদের আপনি সফল মনে করছেন, তারাও নিজ পেশায়, অবস্থানে বা সার্ভিসে সন্তুষ্ট নয়। তাদের দূঃখ ও কষ্ট আপনি দেখবেন না। জীবন হচ্ছে কিছু করে সুন্দরমত বেচে থাকা।
যাইহোক, এখন পর্যায়ক্রমে আলোকপাত করি। প্রথমে আসি দেশে আপনার জন্য সম্ভাবনাসমূহ নিয়ে,
১)আইনজীবী হবেন এবং প্র্যাকটিস করবেন?
---হাইকোর্টে?
--জেলা আদালতে?
আইনের ছাত্র মানেই প্রথম অপশন আপনি আইনজীবী হবেন। নিজের মত স্বাধীনভাবে কম-বেশি আয় নিয়ে, আড্ডাবাজি-ঘোরাফেরা করে, নিজ এলাকায় পরিবারের সাথে আনন্দে বসবাসের জন্য উত্তম পেশা এটা। সাথে পার্টটাইম ব্যবসায় করলে, রাজনীতি করে, সামাজিক কাজে ইনভলভ হয়ে ভালোভাবে জীবন কেটে যাবে।
একজন্য একজন সিনিয়র আইনজীবীর সাথে Pupilage চুক্তি করে/ইন্টিমেশন করে বার কাউন্সিলের অধিনে ৩দফে পরীক্ষা দিয়ে পাসকরে এডভোকেটশীপ লাইসেন্স নিয়ে তথা এনরোল্ড হয়ে জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যপদ নিয়ে আইনপেশা শুরু করতে পারেন। ইদানীং বার কাউন্সিল পরীক্ষা অনেক কঠিন হয়েছে। ফলে গাইড-কোচিং করে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষা দেওয়া জরুরী। বার পরীক্ষা দিয়ে এনরোল্ড হতেই এখন ২-৩বছর লাগে। এর পর আইনজীবী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া।
জুনিয়রশীপ করার সময়ে আপনি তেমন টাকা পয়সা সিনিয়র আইনজীবী হতে পাবেন না। অনেক সিনিয়র অবশ্যই গাড়িভাড়া- খাবারের জন্য সামান্য টাকা দিয়ে থাকেন। ল চেম্বার থেকে বেশকিছু আশা না করা ভালো। আইনপেশায় আসতে চাইলে বা আইনজীবী হতে চাইলে নিজ পরিবার হতে বা চাকুরীজীবি স্ত্রী হতে প্রথম ৫-৭বছরের বেকআপ দিতে হবে বা বড়লোকের সন্তান হতে হবে। যদি একান্তই আইনজীবী হতে চান, এনরোল্ড না হওয়া পর্যন্ত কোথাও ল অফিসার হিসেবে বা ছোটখাটো চাকুরী বা ব্যবসায় করতে পারেন। অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায় এমন কাজ করতে পারেন। মোটকথায় প্রথম ৫-৭বছর নিজ পরিবার থেকে না নিলেও কষ্ট করে চলতে পারবেন, তবে নিজ পরিবারকে আপনি আর্থিক সাপোর্ট দিতে পারবেন না। সবচেয়ে ভালো হয় মাটিকামড়ানো নীতি অনুযায়ী কোন সিনিয়র আইনজীবীর চেম্বারে খেয়ে না খেয়ে পড়ে থাকতে পারলে।
যেহেতু আইনপেশা গুরুমুখী বিদ্যা, সেহেতু ভালো আইনজীবী হতে একজন বা একাধিক সিনিয়র ভালো আইনজীবীর সাথে কয়েকবছর জুনিয়রশীপ করা আবশ্যক। পারলে একজন ফৌজদারী প্র্যাকটিশনার এর সাথে প্রথমে বছরখানেক থাকেন, তারপর সিভিল প্র্যাকটিশনার এর সাথে কয়েকবছর থেকে আইনের প্রয়োগ শিখেন। ফাঁকে টুকটাক নিজের কাজও করতে পারেন। বইতে আপনি সব খুজতে সময় লাগবে, যেটা সিনিয়র হতে দ্রুত শিখতে পারবেন।
তবে রাজনৈতিক দলের একটিভ সদস্য ও বারে নির্বাচন করেন এমন সিনিয়রের চেম্বারে কাজ শেখার সুযোগ কম। তবে ফেসবুকে ও পাবলিক এক্সপোজার পাবেন। প্রচুর আইন বই পড়াশোনা করতে হবে। নিয়মিত পত্রিকাও পড়তে হবে। বিশেষকরে আইনকানুন -পুলিশ- জমিজমা- মানাবাধিকার- কোর্টকাচারী- জনপ্রশাসন সম্পর্কিত নিউজ সমূহ পড়েও আইনের বাস্তবিক প্রয়োগ শিখতে পারবেন। নিয়মিত পড়তে হবে আমৃত্যু।
এখন কথা হচ্ছে আপনি জজ কোর্টে প্র্যাকটিস করবেন নাকি উচ্চআদালতে/হাইকোর্টে?
জজ কোর্টে?
যদি আপনার পারিবারিক বা এলাকা ভিত্তিক পিছুটান থাকে, তবে জজ কোর্টে বা চৌকি আদালতে প্র্যাকটিস করতে পারেন। পিপি, জিপি সহ বহু পদে যেতে পারবেন। রাজনৈতিকভাবে বহু দায়িত্বশীল পদে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
হাইকোর্টে?
আর যদি রাজনৈতিক ও সামাজিক উচ্চ আকাঙ্খা থাকে, আইন নিয়ে গবেষণা করতে চান, তবে রাজধানীতে হাইকোর্টে প্র্যাক্টিস করতে পারেন। ভাগ্যে থাকলে হাইকোর্টের বিচারপতি, এটর্নি জেনারেল, এমপি, মন্ত্রী, কমিশনার সহ বহুপদে যেতে পারবেন।
২) চাকুরী করবেন?
--বিচারক/জুডিসিয়াল অফিসার/ বিজেএস?
--বিসিএস ক্যাডার?
--সরকারী যে কোন চাকুরী?
--ব্যাংকে ল অফিসার?
--বেসরকারি কোম্পানিতে ল অফিসার/ম্যানেজার?
-- বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা?
এখন আসি যদি পারিবারিক আর্থিক সমস্যা থাকে, নির্ঝঞ্ঝাট জীবন চান, সামাজিক মর্যাদা চান তবে দ্রুত চাকুরীতে ঢুকে যান। এজন্য প্রচুর পড়াশোনা করতে হবে, নোট-গাইড কেনা, কোচিং করা সহ চাকুরীতে ঢুকার ব্যাপকবও অমানুষিক প্রস্তুতি নিতে হবে।
আইনের ছাত্র হিসেবে প্রথম পছন্দ থাকবে জুডিসিয়ারী। বিজেএসসি পরীক্ষা। তবে যেহেতু আইনের ছাত্ররা কমবেশি প্রায় একই নাম্বার পাবে, সেহেতু বিসিএস প্রিলি ও লিখিত কোচিং করলে ভালো হবে। এতে আপনি কয়েকবছর লেগে থাকলে, সরকারী ১ম/২য় শ্রেণির একটা চাকুরী নির্ঘাত হয়ে যাবে। তবে অমানুষিক পরিশ্রম লাগবে। পড়াশোনা করতে হবে। ভাসাভাসা পড়াশোনায় হবে না৷ এসময়েও পারিবারিক সাপোর্ট লাগবে। পরীক্ষা দিলেই চাকুরী হবে না। বহুজায়গায় আবেদন করতে হবে। আবেদন ফি, পরীক্ষার ফি, যাতায়াত খরচ, নিজের খরচ, বই, কোচিং-এর খরচ বহুকিছু। সাথে মানুষের টিটকারি কটুক্তি ফ্রী। সফল হলে অন্যকারো সাথে তুলনা, উপদেশ, প্রশংসা ইত্যাদি।
পারিবারিক পিছুটান থাকলে বা আর্থিক সমস্যা থাকলে, আমার মতে বিসিএস এর জন্য বা যে কোন ১ম/২য় শ্রেণির ক্যাডার/ননক্যাডার সরকারি চাকুরীর জন্য চেষ্টা করা ভালো। স্কোপ বেশী।
ব্যাংকে ল অফিসার বা বেসরকারি কোম্পানিতে ল অফিসার/ম্যানেজার হিসেবে চাকুরীও নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো গোছের। সরকারী চাকুরীর মত চার্ম পাবেন না। অনেকে হীনমন্যতার ভোগেন। মনে রাখবেন, দেশে সরকারী চাকুরীজীবী কমবেশি ১৪লাখ৷ বেসরকারি চাকুরীজীবি ২-৫কোটির বেশী৷ বেসরকারি চাকুরীতে বেতনও ভালো পাওয়া যায়। যোগ্যতা থাকলে উপরেও উঠা যায়। আরেকটা বিষয় মনে রাখিয়েন- বেসরকারি চাকুরীতে উর্ধতন কর্মকর্তা বা ভালো পজিশনে আছেন বা লাখ টাকা বেতনে কাজ করেন এমন লোকদের পড়াশোনা ও যোগ্যতা সরকারী চাকুরীজীবিদের চেয়ে বেশী। পেনশন ছাড়া মোটামুটি সব পাওয়া যায়। যা আমার নিজের দেখা। কয়েক লাখ টাকা বেতন বেসরকারি চাকুরীতে কমন। তবে এজন্য পড়াশোনা করতে হবে নিজের টাকায়। নিজেকে আপডেট রাখতে হবে। বিদেশেও পড়তে পারেন এজন্য। অনেকে আবার শহুরে নাগরিক সুবিধা ছাড়তে চান না, তারাও এ ধরনের জব বেছে নেন। সরকারি কর্মকর্তারাও অবসরের পর বেসরকারী চাকুরী করেন। তবে, চাইলেই বেসরকারী বা কোম্পানির চাকুরী হবে না। এজন্য বিডি জব সব পত্রিকায় চোখ রাখতে হবে। পড়াশোনা করতে হবে। ইদানীং লিখিত ও মৌখিক নিয়োগ পরীক্ষা হয়। এসব চাকুরীর জন্য ইংরেজি ও কম্পিউটার জানা মাস্ট। নিজ বিষয়ে বেসিক নলেজও মাস্ট। ইদানীং এনরোল্ডমেন্ট ছাড়া নিয়োগ হয় না। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতাও সম্মানজনক চাকুরী। শিক্ষকতা বিদেশে উচ্চ শিক্ষা নিতে বা সরকারী চাকুরী পরীক্ষা দিতে বেশ কাজে আসে। কম চাহিদায় সুন্দর করে জীবন পার করে ফেলা। গবেষণাধর্মী বহু কাজও করা যায়।
এবার আসি বিদেশ বিভূঁইয়ে বাঙালির বিষয়ে:
বিদেশে---আপনার জন্য সম্ভাবনাসমূহ:
৩) ব্যারিস্টারি পড়বেন নাকি সলিসিটর হবেন?
--লন্ডনে নাকি অন্য দেশে?
৪) বিদেশে আইনজীবী হবেন?
--UK? USA? Canada?
৫) বিদেশে পড়াশোনা করবেন?
-- কোন দেশে?
-- LLM?
-- PHD/LLD?
--Barrister at Law
--স্কলারশিপ সহ নাকি ছাড়া?
৬) বিদেশে থিতু হবেন? মাইগ্রেশন করবেন? কিভাবে?
বিদেশে প্রথম চয়েস হচ্ছে- লন্ডনে গিয়ে ব্যারিস্টারি পড়া। বাংলাদেশে এটার সামাজিক ও রাজনৈতিক মর্যাদা অনেক। আপনি মানেন আর না মানেন। ব্যারিস্টারি কিন্তু কোন ডিগ্রি নয়, প্রফেশনাল কোর্স।
তবে এক্ষেত্রে আপনার দেশীয় এলএলবি বা এলএলএম ডিগ্রি তেমন কোন কাজে আসবে না। সরকারি বেসরকারি যে বিশ্ববিদ্যালয় হতে পাস করেন না কেন!
তুলনামূলক কমখরচে বার করতে চাইলে এদেশ হতে (LCLS south/North or Bhuiyan Academy, Newcastle) হতে টিউশন নিয়ে আপনি ইউকের ওপেন ইউনিভার্সিটি, লন্ডন ইউনিভার্সিটি, নর্দাব্রিয়া ইউনিভার্সিটি হতে দুই/তিন বছরের এলএলবি Distance/External এ করতে পারেন। পরীক্ষা হবে বৃটিশ কাউন্সিলে। এর পর ইউকেতে BPTC (সাবেক৷ BVC) করতে পারেন। পাস করলেই লিংকনস ইন সহ যে কোন ইন থেকে কোয়ালিফাইং ডিনার সহ মেম্বারশীপ নিলেই ব্যারিস্টার।
আরেকটা পথ আছে- আপনি যদি বাংলাদেশী এডভোকেট হন, তবে ইউকেতে Bar Transfer Test (BTT) দিয়েও কম খরচে দ্রুত বার পাস করতে পারেন। তবে এ পথে পাসের হার খুবই কম। প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা করতে না পারা। নিজে নিজে বা বড়ভাইদের সহায়তায় পড়াশোনা করতে হয়।
বাজেট থাকলে, ইউকে গিয়ে বৃটিশ এলএলবি এবং বিপিটিসি করতে পারেন। সবচেয়ে ভালো হবে। কোয়ালিটি এডুকেশন পাবেন। এ পথে পাশের হার বেশী।
তবে, একটা কথা মনে রাখবেন, লন্ডনে আইন চর্চা করতে হলে এবং সেটেল্ড হতে চাইলে, ব্যারিস্টারি না পড়ে একই সিস্টেমে ও খরচে "সলিসিটর" হওয়ার চেষ্টা করুন। ব্যারিস্টারি পাস করে প্র্যাকটিস করা ঐদেশে প্রায় অসম্ভব বা অনেক কঠিন। খুব কম মানুষ এটা পেরেছে। উভয়ের কাজের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। লম্বা আলাপ এখানে করা সম্ভব নয়।
উল্লেখ্য যে, ব্যারিস্টারি পাস করতে চাইলে ইউকে ছাড়াও কানাডায়, নিউজিল্যান্ডে, হংকং এও করা যায়। আর আমেরিকার আইনজীবীদের পদবী হচ্ছে এটর্নি এ্যট ল।
এখন আসি কোন দেশের আইনজীবী হবেন বা প্রফেশনাল ডিগ্রি নিবেন?
আমাদের দেশের লিগ্যাল সিস্টেমের সাথে বৃটিশদের মিল বেশী। যদি বিদেশি প্রফেশনাল রিকগনিশন বা ডিগ্রি নিয়ে, বাংলাদেশে ফিরবেন এবং প্র্যাকটিস করবেন, তবে ইউকে থেকে ব্যারিস্টার হন। আর যদি বৃটেন থাকতে ও প্র্যাকটিস করতে চান তবে সলিসিটর হন। আমেরিকায় থাকতে চাইলে এটর্নি হন৷ কানাডায় থাকলে চাইলে ব্যারিস্টার এন্ড সলিসিটর হন৷
এবার আসি বিদেশে ল নিয়ে উচ্চতর পড়াশোনা করতে চাইল-এটা নির্ভর করে আপনার ফিউচার প্ল্যান নিয়ে।
- LLM করতে চাইলে US, UK, Australia, Canada বেচে নিন। IELTS এ ভালে স্কোর (৬.৫+) থাকলে এবং (সম্ভব হলে কয়েকটি আর্টিকেল পাবলিকেশন থাকলে বা) প্রফেশনাল experience থাকলে এবং ২/৩টা Professor & Professional Recommendations থাকলে scholarship পাওয়া যায় বা সহজে এডমিশন নেওয়া। এটা করবেন বিশেষকরে দেশে বা বিদেশে টিচার হতে চাইলে বা ভবিষ্যতে পিএইচডি করার জন্য। আবার উন্নত দেশে সহজে থিতু হতে বা ইমিগ্রেশনেও বেশ কাজে আসে। বিদেশে মাস্টার্স এর টিউশন ফি অনেক। এটা মাথায় রেখে প্রস্তুতি নিতে হবে।
--LLD/PHD করতে চাইলে অবশ্যই বিদেশে। আমাদের দেশের পড়াশোনার মান খুবই খারাপ। এক্ষেত্রে ওয়ার্ল্ড Ranking এ ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে অবশ্যই চেষ্টা করবেন। প্রায় আংশিক বা ফুল স্কলারশিপ পাওয়া যায়। এজন্য যোগ্যতাও অর্জন করতে হবে। বিস্তারিত আপনি ততদিনে জেনে যাবেন। গুগল এক্ষেত্রে বেস্ট ফ্রেন্ড।
-- Barrister at Law: এটা নিয়ে উপরে আলোচনা করেছি। বিস্তারিত জানতে গুগল করে নিবেন।
বিদেশে থিতু হতে চাইলে-- ঐদেশে মাস্টার্স এ এডমিশন নিয়ে যান। Post Study Work Permit পাবেন ১-৩বছরের। তারপর পিএইচডি বা কমিউনিটি কলেজ থেকে ভোকেশনাল কোর্স করে চাকুরীর ব্যবস্হা করতে পারবেন। আর পিছনে ফিরতে হবে না। সরাসরি ইমিগ্রেশনের বিভিন্ন প্রক্রিয়াও আছে। বিস্তারিত জানতে আপনার বেক গ্রাউন্ড বা যোগ্যতা অনুযায়ী প্রসেস করতে হবে। আরেকটা জরুরী বিষয়, ভিসা পেতে কিন্তু ব্যাংক ব্যালেন্স দেখাতে হয়।
বিদেশে যেতে চাইলে, থিতু হতে চাইলে, বিদেশে পড়াশোনা করতে, ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখাতে, মাইগ্রেশন করতে চাইলে পরামর্শ সহ সার্বিক নিতে পারেন।
-মোহাম্মদ ইয়াসিন আরফাত সাজ্জাদ, এডভোকেট.

