বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেমন ছিলেন;
- তিনি দীর্ঘ সময় নীরব থাকতেন।
- তিনি কম হাসতেন।
- তিনি মুচকি হাসতেন,হাসি ওনার ঠোঁটে লেগে থাকতো।
- তিনি অট্রহাসি হাসতেন না।
- তিনি তাহাজ্জুদ নামাজ ত্যাগ করতেন না।
- তিনি শতবার ক্ষমা প্রার্থণা করতেন।
- তিনি নিজের জন্যে কখনোই প্রতিশোধ গ্রহণ করতেন না।
- তিনি যুদ্ধক্ষেত্র ছাড়া কাউকেও আঘাত করেননি।
- তিনি বিপদে পড়লে তাৎক্ষনিক নামাজে দাড়িয়ে যেতেন।
- তিনি অসুস্থ হলে বসে নামাজ পড়তেন।
- তিনি শিশুদের সালাম দিতেন।
- তিনি সমাবেত মহিলাদের সালাম দিতেন।
- তিনি শিশুদের পরম স্নেহ করতেন।
- তিনি পরিবারের সদস্যদের সাথে কোমল আচরণ করতেন।
- তিনি সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন।
- তিনি ঘুম থেকে জেগে মেসওয়াক করতেন।
- তিনি মিথ্যাকে সার্বাধিক ঘৃণা করতেন।
- তিনি উপহার গ্রহণ করতেন।
- তিনি সাদকাহ (দান) করতেন।
- তিনি সব সময় আল্লাহ কে স্মরণ করতেন।
- তিনি আল্লাহ কে সার্বাধিক ভয় করতেন।
- হাতে যা আসত, তা আল্লাহর রাস্তায় দান করে দিতেন।
- কেউ কথা বলতে বসলে সে ব্যক্তি উঠা না পর্যন্ত তিনি উঠতেন না।
- লৌকিকতার প্রয়োজনেও ছোট প্লেটে খাবার খেতেন না।
- তিনি সর্বদা আল্লাহর ভয়ে ভীত থাকতেন।
- তিনি অধিকাংশ সময়ই নিরব থাকতেন।
- তিনি বিনা প্রয়োজনে কথা বলতেন না।
- তিনি কথা বলার সময় সুস্পষ্টভাবে বলতেন যাতে শ্রবনকারী সহজেই বুঝে নিতে পারে।
- তিনিবক্তব্য দীর্ঘস্হায়ী করতেন না যাতে শ্রোতারা বিরক্ত হয়ে যায়। এবং এত সংক্ষিপ্ত করতেন না যাতে কথা অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
- তিনি কথা, কাজে ও লেন-দেনে কঠোরতা অবলম্বন করতেন না।
- তিনি নম্রতাকে পছন্দ করতেন ।
- তিনি নিকট আগত ব্যক্তিদের অবহেলা করতেন না।
- তিনি কারো সাথে বিঘ্নতা সৃষ্টি করতেন না।
- তিনি শরীয়ত বিরোধী কথা হলে তা থেকে বিরত রাখতেন বা সেখান থেকে উঠে যেতেন।
- তিনিআল্লাহ তায়ালার প্রতিটি নিয়ামতকে কদর করতেন।
- তিনি খাদ্য দ্রব্যের দোষ ধরতেন না। মন চাইলে খেতেন না হয় বাদ দিতেন।
- তিনি ক্ষমাকে পছন্দ করতেন।
- তিনি যে কোন প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিতেন, যাতে প্রশ্নকারী সে ব্যাপারে পরিপূর্ণ অবহিত হয়।
- তিনি. সর্বদা ধৈর্য্য ধরতেন। রাসুল (সা.) এর গুণাবলী বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না।
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে নবী (সা.) এর চরিত্রে চরিত্রবান হওয়ার তাওফীক দান করুন,,আমিন 🤲


